Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Messages - abeerhr

Pages: [1] 2 3
Child Care / 15 Ways to Get Your Kids to Eat Better
« on: December 08, 2019, 01:41:03 PM »
15 Ways to Get Your Kids to Eat Better

"Every single day, I deal with picky eaters both big and small. I'm the mother of 7-year-old triplets, all of whom have very different eating habits; I'm also a dietitian who teaches the professional athletes on the Chicago Bears and Chicago Bulls teams how to improve their diets. Although it's tough to convince a towering basketball player or a 300-pound linebacker that junk food is bad for him, trying to get my kids to eat well can be even more of a challenge. My daughter Kathleen has severe and life-threatening allergies to eggs, peanuts, and tree nuts, and Julia will not eat fresh fruit; luckily, my son, Marty, will try just about anything. Mothers constantly tell me that they feel guilty about their children's diets; they know how important it is to feed their kids healthy foods, but they're just not sure how to do it. Despite my own background in nutrition, I had to go through some trial and error with my triplets. Here are the most important lessons I've learned, which should help you guide your kids to eat better."

1. Make a schedule. Children need to eat every three to four hours: three meals, two snacks, and lots of fluids. If you plan for these, your child's diet will be much more balanced and he'll be less cranky because he won't be famished. I put a cooler in the car when I'm out with my kids and keep it stocked with carrots, pretzels, yogurt, and water so we don't have to rely on fast food.

2. Plan dinners. If thinking about a weekly menu is too daunting, start with two or three days at a time. A good dinner doesn't have to be fancy, but it should be balanced: whole-grain bread, rice, or pasta; a fruit or a vegetable; and a protein source like lean meat, cheese, or beans. I often make simple entree soups or Mexican chili ahead of time and then freeze it; at dinnertime, I heat it up and add whole-grain bread and a bowl of cut-up apples or melon to round out the meal.

3. Don't become a short-order cook. A few years ago, I got into a bad habit. I'd make two suppers—one that I knew the kids would like and one for my husband and me. It was exhausting. Now I prepare one meal for everybody and serve it family-style so the kids can pick and choose what they want. Children often mimic their parents' behavior, so one of these days, they'll eat most of the food I serve them.

4. Bite your tongue. As hard as this may be, try not to comment on what or how much your kids are eating. Be as neutral as possible. Remember, you've done your job as a parent by serving balanced meals; your kids are responsible for eating them. If you play food enforcer—saying things like "Eat your vegetables"—your child will only resist.

5. Introduce new foods slowly. Children are new-food-phobic by nature. I tell my kids that their taste buds sometimes have to get used to a flavor before they'll like the taste. A little hero worship can work wonders too. Marty refused to even try peas until I told him that Michael Jordan eats his to stay big and strong. Now Marty eats peas all the time.

6. Dip it. If your kids won't eat vegetables, experiment with condiments and dips. Kathleen tried her first vegetable when I served her a thinly cut carrot with some ranch salad dressing. My children also like ketchup, hummus, salsa, and yogurt-based dressing. Choose a dip or condiment with real ingredients, like Simply Heinz Ketchup (it's made without high fructose corn syrup).

7. Make mornings count. Most families don't eat enough fiber on a daily basis, and breakfast is an easy place to sneak it in. Look for high-fiber cereals for a quick fix. Or, do what I do and make up batches of whole-grain pancake and waffle batter that last all week. For a batch that serves five, sift together 2 cups whole-wheat pastry flour, 4 tsp. baking powder, 1/2 tsp. salt, and 2 Tbs. sugar. When you're ready to cook, mix in 2 Tbs. ground flax meal, 2 cups water, 3 Tbs. canola oil, 1/4 tsp. vanilla, and 2 Tbs. applesauce.

8. Sneak in soy. Even if your kids don't have milk allergies, soy milk is a terrific source of healthy phytochemicals. My kids don't like soy milk but don't notice when it's hidden in a recipe. I use the low-fat, calcium-fortified kind in some recipes that call for milk, such as oatmeal, mashed potatoes, and sauces.

9. Sprinkle some sugar. Julia eats her cooked carrots with a bit of brown sugar, and I mix a little root beer into her prune juice to make prune-juice soda. Kathleen and Marty like a sprinkle of sugar on their fruit. I know that they'll eventually outgrow this need for extra sweetness, but in the meantime, they're eating fruits and vegetables.

10. Get kids cooking. If your children become involved in choosing or preparing meals, they'll be more interested in eating what they've created. Take them to the store, and let them choose produce for you. If they're old enough, allow them to cut up vegetables and mix them into a salad. Although Julia refuses to eat fresh fruit, she and I make banana or apple muffins together—and she always eats them once they're done.

11. Cut back on junk. Remember, you—not your kids—are in charge of the foods that enter the house. By having fewer junk foods around, you'll force your children to eat more fruits, vegetables, whole grains, and dairy products.

12. Allow treats. Having less healthy foods occasionally keeps them from becoming forbidden—and thus even more appealing. We call candy, soda, and cookies "sometimes" foods. I generally buy only healthy cereals such as Cheerios and Raisin Bran, but I let my kids have sugary cereals when they visit their grandparents or when we're on vacation. And I treat them to McDonald's for lunch every so often.

13. Have fun. The more creative the meal is, the greater the variety of foods my kids eat. We make smiley-face pancakes and give foods silly names. (Broccoli florets are "baby trees" or "dinosaur food.") Anything mini is always a hit too. I often use cookie cutters to turn toast into hearts and stars, which the children love.

14. Be a role model. If you're constantly on a diet or have erratic eating habits, your children will grow up thinking that this sort of behavior is normal. Be honest with yourself about the kinds of food messages you're sending. Trust your body to tell you when you're hungry and when you're full, and your kids will learn to do the same.

15. Adjust your attitude. Realize that what your kids eat over time is what matters. Having popcorn at the movies or eating an ice-cream sundae are some of life's real pleasures. If your kid likes juice, consider pouring Mott's Sensibles (it's 100% juice, yet has 30% less sugar than other 100% apple juices). As long as you balance these times with smart food choices and physical activity, your children will be fine.

By Julie Burns, R.D.

বাতের ব্যথা বা আর্থ্রাইটিস কেন হয়? এটি কি বংশগত রোগ? শিশুদেরও কি বাত হতে পারে?

আর্থ্রিটিস প্রায় ২00 টি রিউম্যাটিক রোগ এবং অবস্থাকে বোঝায় যা লুপাস এবং রিউমাটয়েড আর্থথ্রিটিস সহ জয়েন্টগুলোকে প্রভাবিত করে।
এটি লক্ষণগুলির একটি পরিসীমা সৃষ্টি করে এবং প্রতিদিনের কাজগুলি সম্পাদনের জন্য একজন ব্যক্তির ক্ষমতার ক্ষতি করতে পারে।
শারীরিক ক্রিয়াকলাপের গাণিতিক উপর ইতিবাচক প্রভাব আছে এবং ব্যথা, ফাংশন, এবং মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে পারে।
কারণের মধ্যে রয়েছে আঘাত, অস্বাভাবিক বিপাক, জেনেটিক মেকআপ, সংক্রমণ, এবং ইমিউন সিস্টেমের অসুবিধা।
চিকিত্সা ব্যথা নিয়ন্ত্রণ, যৌথ ক্ষতি হ্রাস, এবং জীবনের মান উন্নত বা বজায় রাখার লক্ষ্য রাখে। এটি ঔষধ, শারীরিক থেরাপির, এবং রোগীর শিক্ষা এবং সমর্থন জড়িত।

শিশুদের Rheumatoid Arthritis হতে পারে, যেটা immune system এর অসুবিধা থেকে হয়।
এটা বংশগত রোগ নয়।

প্রাকৃতিক Remedies:
উপযুক্ত ব্যায়াম সহ স্বাস্থ্যকর, সুষম খাদ্য, ধূমপান এড়ান এবং অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান না, গন্ধযুক্ত ব্যক্তিদের তাদের সামগ্রিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

সাধারণ খাদ্য:
নির্দিষ্ট খাদ্য নেই, তবে কিছু ধরণের খাবার প্রদাহকে কমাতে সাহায্য করতে পারে।
ভূমধ্য ডায়েটে পাওয়া নিম্নলিখিত খাবারগুলি যৌথ স্বাস্থ্যের জন্য ভাল এমন অনেক পুষ্টি সরবরাহ করতে পারে:
  • মাছ
  • বাদাম এবং বীজ
  • ফল এবং শাকসবজি
  • মটরশুটি
  • জলপাই তেল
  • আস্ত শস্যদানা

খাবার এড়ানোর জন্য:
টমেটো না খেলেই ভালো

Source: Quora

Natural Medicine / মধু কেনো খাবেন?
« on: September 19, 2019, 11:57:35 AM »
আল্লাহ তা’আলা আল কোরআনের মধ্যে অন্যান্য সমস্ত জীব- জন্তুর মধ্য হতে ছোট্ট প্রাণী মৌমাছিকে স্বতন্ত্র ভঙ্গিতে সম্বোধন করেছেন। কারণ মৌমাছি সমস্ত কীটপতঙ্গের মধ্যে বিশেষ শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী। মৌমাছি একমাত্র প্রাণী যে মানুষের জন্য খাদ্য তৈরি করে। আল্লাহ তা’আলা সুরা নাহলে বর্ণনা করেছেন- “তার পেট হতে বিভিন্ন রঙের পানীয় বের হয় তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার”।

মৌমাছি নিজের বাসাটিকে সমান ছয় কোণ বিশিষ্ট করে তৈরি করে। গোলাকার প্রাণীর জন্য সম ছয় কোণ বিশিষ্ট কোঠার আয়তন গোলাকার কোঠার চেয়ে কম। এটা জ্যামিতিক শাস্ত্র প্রমাণ করেছে। কাজেই মৌমাছি নিজের বাসা এমনভাবে তৈরি করে যাতে একটু জায়গাও নষ্ট না হয়। মৌমাছি এমনই একটি বুদ্ধিমান প্রাণী।

মধু কেনো খাবেন?

ঠাণ্ডা জনিত কফ বা কাশি রোগে এক কাপ গরম পানির সাথে ১/২ চামচ মধু মিশ্রিত করে নিয়মিত খাওয়ালে বেশ উপকার পাওয়া যায়। আমেরিকায় শিশুদের নিয়মিত মধু খেতে দেয়া হয়। মিশিগানে প্রচুর মধু পাওয়া যায়। অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ বাদ দিয়ে এক অর্থবছরে আমেরিকা সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার মধু বহির্বিশ্ব হতে আমদানি করে।
আরবরা প্রচুর মধু খায়। আরবিতে মধুকে ‘আসল’ বলে। পাকিস্তান ও ইন্ডিয়াতে মানুষ বিভিন্ন চিকিৎসায় মধু ব্যবহার করে। উর্দুতে মধুকে ‘সহদ’ বলে। বার্মিজরা মধুকে ‘পিয়ায়ি’ বলে। বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে মধু উপহার দেয়াকে তারা বেশি পছন্দ করে। রাশিয়ানরা মধুকে
‘মিউদ’ বলে। তারা মধু খাওয়াকে খুব পছন্দ করে। আফগানরা মধুকে ‘গাভিন’ বলে এবং এর খুব কদর করে। থাইল্যান্ডে প্রচুর মধু পাওয়া যায়। তারা একে ‘নামপুং’ বলে। চাইনিজ মুসলিমরা ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা মধু খেয়ে থাকেন। তারা মধুকে ‘ফনমি’ বলে। মধুর সংস্কৃত নামান্তর ‘ক্ষৌদ’। এভাবেই উন্নত বিশ্ব মধ খাওয়ার প্রতি জোর দিয়েছে। রাসূল সঃ ও মধু পছন্দ করতেন খুব। তিনি নিজেও ঘোষণা করেছে মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের মহৌষধ হচ্ছে মধু।

Source: Khaas Food

কাঁচা আমের স্বাস্থ্য উপকারিতা

আমরা জানি আমকে বলা হয় ফলের রাজা। সব বয়সের মানুষই পাকা আম পছন্দ করে এবং অন্য যেকোন ফলের চেয়ে এই ফলটি বেশিরভাগ মানুষ পছন্দ করে। কিন্তু কাঁচা আমের স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা জানলে আপনি বুঝতে পারবেন কাঁচা আম খাওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা। কাঁচা আমের গন্ধে মন ভরে যায় সতেজতায়। চাষের ধরণ অনুযায়ী আম বিভিন্ন আকার আকৃতির হয়ে থাকে। আসলে আমের বিভিন্ন রকম ১০০০টি প্রজাতি আছে। স্কুলের বাচ্চাদের ও অনেক পূর্ণ বয়স্ক মানুষের প্রিয় কাঁচা আম প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন, মিনারেল ও পানিতে ভরপুর। কাঁচা আম সাধারণত আচার বানানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও জুস, চাটনি, সস, জ্যাম এবং ফলি হিসেবে খাওয়া হয়। তবে সবচাইতে আকর্ষণীয় হচ্ছে কাঁচা আমের ভর্তা। আসুন তাহলে জেনে নেই কাঁচা আমের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো সম্পর্কে।
এসিডিটির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে
খাদ্যাভ্যাসের জন্য বেশিরভাগ মানুষই এসিডিটির সমস্যায় ভুগে থাকেন। কাঁচা আম খেলে এসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ঔষধ গ্রহণ ছাড়াই আপনার হজমে সাহায্য করবে কাঁচা আম।
পানির ঘাটতি রোধ করে
গরমে আমাদের শরীর থেকে অনেক পানি বাহির হয়ে যায়। শরীরের তৃষ্ণা মেটানোর জন্য এবং পানির ঘাটতি পূরণের জন্য সামান্য লবণ দিয়ে কাঁচা আম খান।
পেটের সমস্যা দূর করে
গরমের সময় বেশিরভাগ মানুষের পেটে সমস্যা হতে দেখা যায়। ডায়রিয়া, আমাশয় ও বদহজমের মত সমস্যাগুলোর বিরুদ্ধে কাজ করে। খাদ্য হজমে সহায়তা করে কাঁচা আম। অন্ত্রকে পরিষ্কার করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয় কাঁচা আম।
ওজন কমায়
মিষ্টি আমের চেয়ে কাঁচা আমে চিনি কম থাকে বলে এটি ক্যালরি খরচে সাহায্য করে।
স্কার্ভি ও মাড়ির রক্ত পড়া প্রতিরোধ করে
কাঁচা আম খেলে আপনার শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি সরবরাহ করে। স্কার্ভি, অ্যানেমিয়া ও মাড়ির রক্ত পড়া কমায় কাঁচা আম। কাঁচা আমের পাউডার বা আমচুর স্কার্ভি নিরাময়ে অত্যন্ত কার্যকরী।
মুখের স্বাস্থ্য রক্ষা করে
সবুজ কাঁচা আম খাওয়া মাড়ির জন্য উপকারী। এটি শুধু মাড়ির রক্ত পড়াই বন্ধ করেনা নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ এবং দাঁতের ক্ষয় রোধ করে।
মর্নিং সিকনেস এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে
বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের মর্নিং সিকনেস দূর করতে চমৎকারভাবে কাজ করে কাঁচা আম। সামান্য লবণ মাখিয়ে কাঁচা আম খেলে বমি বমি ভাব দূর হয়।
দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়
কাঁচা আম আলফা ক্যারোটিন ও বিটা ক্যারোটিনের মত ফ্লাভনয়েড সমৃদ্ধ। এই সব উপাদান দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে ও দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়।
লিভারের সবচেয়ে ভালো বন্ধু
লিভারের রোগ নিরাময়ের একটি প্রাকৃতিক উপায় হচ্ছে কাঁচা আম। যখন কাঁচা আম চিবানো হয় তখন পিত্ত থলির এসিড ও পিত্ত রস বৃদ্ধি পায়। এর ফলে যকৃতের স্বাস্থ্য ভালো হয় এবং অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশন পরিষ্কার করে।
ঘামাচি প্রতিরোধ করে
গ্রীষ্মকালের সবচেয়ে খারাপ শত্রু হচ্ছে ঘামাচি। ঘামাচির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সবচেয়ে ভালো উপায় কাঁচা আম খাওয়া। কাঁচা আমে এমন কিছু উপাদান আছে যা সান স্ট্রোক হতে বাধা দেয়।
রক্তের সমস্যা দূর করে
শরীরের কোষকে উজ্জীবিত করে কাঁচা আম এবং রক্তনালীর স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করে ও নতুন রক্ত কোষ গঠনে সহায়তা করে। বিভিন্ন রকমের রক্তের সমস্যা যাদের থাকে যেমন- রক্তশূন্যতা, ব্লাড ক্যান্সার, রক্তক্ষরণের সমস্যা ও টিউবারকোলোসিসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে কাঁচা আম।
এনার্জি প্রদান করে
আপনি কি জানেন কাঁচা আম আপনাকে প্রচুর এনার্জি দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে দুপুরের খাওয়ার পরে কাঁচা আম খেলে তন্দ্রা কাটিয়ে উজ্জীবিত হতে সাহায্য করে।
কাঁচা আমের কষ মুখে লাগলে ও পেটে গেলে মুখে, গলায় ও পেটে ইনফেকশন হতে পারে। তাই এ ব্যাপারে সাবধান থাকতে হবে।
ঘাম কমায়
গরমের ঘাম থামতেই চায়না। কাঁচা আমের জুস খেয়ে ঘামের মাত্রা কমানো যায়। অতিরিক্ত ঘামের ফলে সোডিয়াম ক্লোরাইড এবং আয়রন কমতে শুরু করে। এই প্রক্রিয়াকে প্রতিরোধ করে কাঁচা আম।

Source: দৈনিক ইত্তেফাক।

দীর্ঘমেয়াদী শ্বাসকষ্ট রোগের রোগীদের জন্য কিছু পরামর্শ এবং করনীয়
Dr. Jahangir kabir

ডায়াবেটিস থেকে চির মুক্তি আসলেই সম্ভব
Dr. Jahangir kabir

আর নয় চর্বিতে ভয় : চর্বি খেয়ে চর্বি পোড়ানোর গল্প
Dr. Jahangir kabir

বুকে ব্যাথা মানেই কি হৃদরোগ?

Dr. Md. Abul Khair
MBBS (DMC), D-Card (NICVD), FCPS (Cardiology)
Expert in Angiogram, Angioplasty (stenting)
& Echo-Cardiography
Associate Professor
Cardiology and Medicine Specialist (NICVD)

Food & Nutrition / পাকা পেপের উপকারিতা
« on: September 05, 2019, 04:38:28 PM »
পাকা পেপের উপকারিতা

বাংলাদেশের এমন কোন জায়গা পাওয়া যাবে না যেখানে পেঁপে পাওয়া যায় না।পেপের উপকারিতা অনেক।পেঁপে একটি সবজি বা ফল আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী । কাঁচা অবস্থায় পেঁপে সবজি আর পাকা অবস্থায় ফল। এই জন্য পেঁপেকে ফলের রাজা বলা হয়। পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণ মিনারেল, অ্যানটিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন রয়েছে যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। শুধু তাই নয়, পেঁপেকে ভিটামিনের স্টোর বলা হয়।জেনে নিন পেপের উপকারিতা গুলো।

পেপের উপকারিতা গুলো জেনে রাখুন

১.ব্রণ ও কালো দাগ তুলতে
পাকা পেঁপে কালো দাগ দূর করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। পাকা এক টুকরো পেঁপে নিয়ে আক্রান্ত স্থানে ভালো করে ঘষে দিন। আধা ঘণ্টা রাখুন, তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে ৩/৪ বার এভাবে করতে থাকেন। পেঁপেতে থাকা প্যাপিন মরা কোষ দূর করে ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করে তোলে।

চলুন জেনে নেই রূপচর্চায় পেঁপে কি কি উপকার করেঃ
⇒ পেঁপেতে আছে ভিটামিন এ এবং এক ধরনের প্রোটিন যা ত্বকের মৃতকোষ দূর করতে সাহায্য করে।
⇒ কাঁচা পেপে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে পুরো মুখে নিয়মিত লাগালে ব্রণের সমস্যা কমবে এবং ব্রণের দাগ চলে যাবে।
⇒ পেঁপে বাটা পায়ের ফাটা দূর করে পাকে মসৃণ করতে সাহায্য করে। পেঁপের খোসা মুখের ত্বকে, হাতে কিংবা পায়ে লাগিয়ে রাখতে হবে। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে ওঠবে।
⇒ মুখের ত্বকে নিয়মিত পেঁপের রস লাগালে ত্বকে বয়সের ছাপ দূর হবে।
⇒ পেঁপে বাটা ও মধু এক সাথে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রাখতে হবে। ত্বকের শুষ্কতা চলে যাবে ও ত্বক কোমল হবে।
⇒ চুল শ্যাম্পু করার আগে চুলে পেঁপে বাটা বা পেপের রস লাগালে খুশকি সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

২.হজমশক্তি বাড়াতে
হজমের গোলমাল একটি ব্যাপক সমস্যা। হজমশক্তি কমে গেলে অম্বল হয়ে যায়, মুখে চোকা ঢেকুর ওঠে, পেট ব্যথা শুরু হয়। কখনো চিনচিনে ব্যথা, কখনো ভয়ঙ্কর ব্যথা হয়। কখনো কোষ্ঠ পরিষ্কার হয় না আর কখনো পেট খারাপ হয়। শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, শরীরে অবসাদ দেখা দেয়। পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম আছে যা খাবার হজমে সহায়তা করে থাকে। এছাড়াও প্রচুর পানি ও দ্রবণীয় ফাইবার আছে। যার ফলে হজমের সমস্যায় যে সকল মানুষ ভুগে থাকেন তাঁরা নিয়মিত পাকা বা কাঁচা পেঁপে খেতে পারেন। এক্ষেত্রে পেঁপে খুব উপকারি।

৩.রক্ত আমাশয়
রক্ত আমাশয় দেহের অনেক বড় সমস্যা। প্রত্যেহ সকালে কাঁচা পেঁপের আঠা ৫/৭ ফোঁটা ৫/৬ টি বাতাসার সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। ২/৩ দিন খাওয়ার পর রক্তপড়া কমতে থাকবে।

যে কোনো প্রকারের ক্রিমি হলে, পেঁপের আঠা ১৫ ফোঁটা ও মধু ১চা চামচ একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। এরপর আধা ঘন্টা পরে উঞ্চ পানি আধ কাপ খেয়ে তারপরে ১ চামচ বাখারি (শসা-ক্ষীরার মতো এর স্বাদ) চুনের পানি খেতে হয়। এভাবে ২ দিন খেলে ক্রিমির উপদ্রব কমে যাবে। ক্রিমি বিনাশের ক্ষেত্রে পেঁপে এটি ফলপ্রদ ওষুধ।

আমাশয় ও পেটে যন্ত্রনা থাকলে কাঁচা পেঁপের আঠা ৩০ ফোঁটা ও ১ চামচ চুনের পানি মিশিয়ে তাতে একটু দুধ দিয়ে খেতে হবে। একবার খেলেই পেটের যন্ত্রনা কমে যাবে এবং আমাশয় কমে যাবে । আমাশয় থেকে মুক্তি পাওয়ার অদ্ভুত শক্তি আছে কাঁচা পেঁপের আঠায়।

৬.যকৃত বৃদ্ধিতে
এই অবস্থা হলে ৩০ ফোঁটা পেঁপের আঠাতে এক চামচ চিনি মিশিয়ে এক কাপ পানিতে ভালো করে নেড়ে মিশ্রণটি সারাদিনে ৩বার খেতে হবে। ৪/৫ দিনের পর থেকে যকৃতের বৃদ্ধিটা কমতে থাকবে, তবে ৫/৬ দিন খাওয়ার পর সপ্তাহে ২ দিন খাওয়াই ভালো। এভাবে ১ মাস খেলে ভাল ফল পাওয়া যাবে।

৭.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি ও ই। এই ভিটামিন গুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। এছাড়া পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ যা চোখের জন্য উপকারী।

৮.ডায়াবেটিস প্রতিরোধে
চিনির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পেঁপে একটি আর্দশ ফল। যাদের ডায়াবেটিস নেই তাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পেঁপে রাখা উচিত। পেঁপে ডায়াবেটিস হওয়া প্রতিরোধ করে।

৯.হাড়ের ব্যথা রোধে
পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং কপার রয়েছে, নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার ফলে শরীরে ক্যালসিয়াম তৈরি হয় যা হাড় মজবুত করে ব্যথা হ্রাস করে।

১০.স্ট্রেস হ্রাস করতে
সারাদিন ক্লান্তি এক নিমিষে দূর করে দিতে পারে এক প্লেট পেঁপে। এতে থাকা ভিটামিন সি স্ট্রেস হ্রাস করে। University of Alabama এর মতে প্রতিদিন ২০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি আমাদের খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত যা স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।

১১.ক্যান্সার প্রতিরোধক
কাঁচা পেঁপে শরীরের জন্য খুব উপকারী। এতে রয়েছে প্রোটিওলাইটিক এনজাইম। এই উপাদানটি প্রটিন হজম করতে সাহায্য করে । ক্যান্সার নিরাময়েও ভূমিকা রাখে, এই জন্য পেঁপে রান্নার পরিবর্তে কাঁচা খাওয়াটাই উত্তম। পেঁপেতে আরও রয়েছে প্রচুর পরিমাণের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফ্ল্যাভোনোক্সিড যা দেহে ক্যান্সারের কোষ তৈরিতে বাঁধা দেয়। Harvard School of Public Health’s Department এক গবেষণায় দেখা গেছে যে পেঁপের বিটা কেরোটিন উপাদান কোলন ক্যান্সার, প্রোসটেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

১২.শরীর শুকিয়ে গেলে
কোনো কারণ নেই অযথা শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে, এমন অবস্থায় মুখোমুখি অনেককেই হতে দেখা যায়। বিশেষ করে অল্পবয়সীদের ক্ষেত্রে এ উপসর্গের প্রকোপ বেশি। শরীরে অবসাদজনিত ক্লান্তি, একটা মনমরা ভাব, পড়াশোনা বা কাজকর্মে অনীহা প্রভৃতি উপসর্গ এর সাথেই আসে। প্রায়ই এর সাথে জড়িয়ে থাকে কোষ্ঠকাঠিন্য। এক্ষেত্রে পেঁপে খুবই ফলপ্রসূ। কাঁচা বা পাকা যে অবস্থায়ই হোক। সকালে ও বিকেলে প্রতিদিন কয়েক টুকরো করে খেতে হবে। অন্তত এক মাস নিয়মিত খেতে হবে।

১৩.উচ্চরক্তচাপ কমাতে
কাঁচা পেঁপে আমাদের দেহের সঠিক রক্ত সরবরাহে কাজ করে। আমাদের দেহে জমা থাকা সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে যা হৃদপিণ্ডের রোগের জন্য দায়ী। বেশিভাগ চল্লিশ-পঁয়তাল্লিশ বছরের পর থেকে মানুষের রক্তচাপসংক্রান্ত সমস্যা দেখা দেয়। হয়তো রক্তচাপ বাড়ে নয়তো কমে। রক্তচাপ বাড়লে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। হঠাৎ পড়ে গেলে শরীরের কোন অংশ অকেজো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, শরীরে অসাড়তা দেখা যায়। উচ্চরক্তচাপ আক্রান্তরা কাঁচা বা পাঁকা পেঁপে ব্যবহার করতে পারেন। দুটোই উপকারী। তবে খাবেন কয়েক টুকরো এবং নিয়মিত। কয়েক মাস খেয়ে যেতে হবে। আশা করা যাই নিয়মিত পেঁপে খেলে উচ্চ রক্ত চাপের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। এমনকি এতে করে হৃদপিণ্ড জনিত যে কোনো সমস্যার সমাধান হয়।

১৪.ফাইলেরিয়া রোগ হলে
ফাইলেরিয়া মশাবাহিত রোগ। ফাইলেরিয়ার বিভিন্ন উপসর্গ নিরাময়ে পেঁপে গাছকে ব্যবহার করা যায়। কয়েকটি পেঁপে পাতা সংগ্রহ করে সেগুলোকে গরম পানিতে ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে। এবার পাতাগুলোকে গরম অবস্থায় সেঁকে নিয়ে নিয়মিত কয়েক দিন সেঁক দিলে ফাইলেরিয়ার উপসর্গ অনেকটা কমে যাবে।

১৫. অনিয়মিত মাসিক পরিএাণ করতে
পেঁপে খাওয়ার ফলে আপনার অনিয়মিত মাসিক নিয়মিত হয়ে যাবে। সুতরাং যাদের মাসিকের সমস্যা আছে, তারা নিয়মিত পেঁপে খেতে পারেন।

১৬. শ্বাস- প্রশ্বাসের আরোগ্য
শ্বাস- প্রশ্বাসের আরোগ্য ক্ষেত্রে পেঁপের ভূমিকা অনেক। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার ফলে শ্বাস- প্রশ্বাসের সমস্যা কমে যায়।

১৭. কোলেস্টেরল হ্রাস করে
পেঁপেতে রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা ধমনীতে কোলেস্টেরল জমতে বাঁধা প্রদান করে। ধমনীতে চর্বি জমার কারণে হার্ট অ্যাটাকের মত ঘটনাও ঘটতে পারে। সাথে কাঁচা পেঁপে খেলে মেদ কমে, এতে কোনো খারাপ কোলস্টেরল, চর্বি বা ফ্যাট নেই। মোটা মানুষ দুশিন্তা মুক্ত হয়ে খেতে পারেন।

Source: ভোরের কাগজ

Natural Medicine / যবের ছাতু
« on: August 29, 2019, 11:37:45 AM »
কোলেস্টেরল কমাবে যবের ছাতু! খারাপ কোলেস্টেরলের ঘনত্ব কমিয়ে দেয়!!

যবকে গুঁড়া করে ছাতু বানালেই যবের ছাতু হয়। রাসূল (সঃ) যবের ছাতু পছন্দ করতেন।
উম্মুল মুমিনিন আয়েশা রা: বলেন, ‘এমন দিন রসুল(সা:)-র জীবনে কমই এসেছে যেদিন তিনি দুই বেলা খাবার খেতে পেরেছেন। তাঁর ইন্তেকালের সময় তাঁর গৃহে সামান্য কিছু যবের ছাতু ছাড়া আর কোনো সামগ্রীই ছিল না, আর সে যবের ছাতুও তিনি ক্রয় করেছিলেন জনৈক ইহুদির কাছ থেকে তাঁর যুদ্ধাস্ত্র বন্ধক রেখে প্রাপ্ত অর্থ থেকে’। (বুখারি ও মুসলিম শরিফ)।
যব বিভিন্ন রকম সুষম খাদ্য প্রস্তুতে উপাদান হিসেবে দেয়া হয়। স্কটল্যান্ড থেকে আফ্রিকা পর্যন্ত এলাকায় খাবার স্যুপ ও স্ট্যু তৈরিতে এবং যবের রুটিতে যবের দানা বা গুঁড়া ব্যবহার করা হয়।
প্রতিদিনের নাস্তায় দুধের সঙ্গে যবের ছাতু মিশিয়ে খেলে ক্ষুধা কম লাগার পাশাপাশি পেট ভরা রাখে। তাছাড়া মোটা হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
যবের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যব প্লীহা আর পাকস্থলীর কর্মক্ষমতা বাড়াতে এবং অজীর্ণ রোগ যাকে ইংরেজীতে ডিসপেপসা (বদহজম) বলে, এক ধরণের পেটের পীড়া, তা দূর করতে এবং নিরসনে সহায়তা করে।
যবের ছাতুর বেটা-গ্লুক্যান আঁশ খাবারে পরিতৃপ্ত থাকতে সাহায্য করে এবং উপকারী ‘গাট’ ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
যবের ছাতু অন্ত্রের কিছু রোগের ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে। যেমন কোষ্ঠকাঠিন্য এবং প্রদাহজনিত পেটের রোগ।
যবের ছাতু সার্বিকভাবে কোলেস্টেরল কমায় এবং খারাপ কোলেস্টেরলের ঘনত্ব কমিয়ে দেয়।

“সার্ভিং হিসেবে ৬০ গ্রাম যবের ছাতু খেলে উল্লেখযোগ্যভাবে কোলেস্টেরল কমাতে পারে।” খারাপ কোলেস্টেরল আনুমানিক ৪ থেকে ৬ শতাংশ কমার জন্য হৃদপিণ্ডের ধমনীর রোগের হার ৬ থেকে ১৮ শতাংশ কমিয়ে দেয়।

যব দিয়ে বানানো সব ধরনের খাবারই উপকারী। আর সেটা যদি ছাতু হয় তবে পুষ্টি বৃদ্ধি পায় হাজারো গুণে।

Source: Khaas Food

Oncology / পাকস্থলীর ক্যান্সার
« on: August 24, 2019, 05:32:44 PM »
পাকস্থলীর ক্যান্সার:

পাকস্থলীর ক্যান্সার পরিচিত রোগ । প্রতিবছর অনেকেই এই রোগে আক্রান্ত হয় এবং অনেকেই মৃত্যুবরণ করে। তবে এই রোগটি যদি প্রাথমিক অবস্থায় নির্ণয় করা যায় এবং যথাযথ চিকিৎসা করা যায় তবে রোগী সুস্থ হয়ে যায় । অপারেশনের মাধ্যমে ক্যান্সার আক্রান্ত স্থান ফেলে দিলে রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায়।

পাকস্থলীর ক্যান্সারের বিভিন্ন কারণ আছে। হেলিকোব্যাকটর পাইলোরি নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে ক্যান্সার হতে পারে। এই ব্যাকটেরিয়া আলসারও তৈরি করে। মদপান করলে পাকস্থলীর ক্যান্সার সহ বিভিন্ন ক্যান্সার হয়। প্রচুর পরিমাণে যারা মদপান করেন তারা বিভিন্ন জটিল জটিল সমস্যায় আক্রান্ত হন। টিনজাত খাবার বেশি গ্রহন করলে ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। বর্তমানে অনেকেই টিনজাত খাবার প্রচুর পরিমাণে খাচ্ছেন। ফলে দেখা দিচ্ছে ক্যান্সার।
অত্যধিক লবণ আছে এমন খাবার গ্রহণ করলে পাকস্থলীর ক্যান্সার হয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের অভাব রয়েছে এমন খাবার কম গ্রহণ করলে কিন্তু পাকস্থলীর ক্যান্সার হতে পারে। ফলমূল ও শাকসবজিতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। ধূমপান করলে এবং বংশগত কারণেও দেখা দিতে পারে পাকস্থলীর ক্যান্সার। নারীদের চেয়ে পুরুষ পাকস্থলীর ক্যান্সারে বেশি আক্রান্ত হয়

পাকস্থলীর ক্যান্সার রোগের প্রাথমিক অবস্থায় পেটে অস্বস্তি ছাড়া আর তেমন কোনো উপসর্গ থাকে না। রোগীরা বা তার সাথের লোকজন এই সমস্যাগুলোকে তেমন গুরুত্ব দেন না । তারা মনে করেন গ্যাস্ট্রিক বা আলসার হয়েছে। এদের অনেকেই গ্যাসের ওষুধ খেয়ে সাময়িক আরাম অনুভব করেন। কিন্তু এর ফলে পরে দেখা দিতে পারে মারাত্মক সমস্যা। ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়তে পারে অন্য জায়গায়। তখন চিকিৎসা করে ভাল ফল পাওয়া যায়না । আমাদের দেশে রোগীরা যখন ডাক্তারের কাছে যান তখন বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ক্যান্সার পাকস্থলীর বাইরে ছড়িয়ে পড়ে এবং এর ফলে চিকিৎসা করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে

৪০ বছরের পর যদি অরুচি হয়, রক্তস্বল্পতা দেখা দেয় , খাদ্য গ্রহণের পর পেট ব্যথা হয় , শরীরের ওজন কমে যায় , বমির সাথে রক্ত কিংবা যদি আলকাতরার মতো কালো পায়খানা হয় তবে অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে এবং এন্ডোস্কপি করতে হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ ধরা পড়লে ফলাফল খুব ভাল। তখন চিকিৎসা অনেক সহজ হয়ে যায় ।

এক সময়ে জাপানে পাকস্থলী ক্যান্সারের কারণে অনেক লোক মারা যেত। বর্তমানে তারা বিভিন্ন ব্যাবস্থা নিয়েছে। এর ফলে প্রকোপ অনেক কমে এসেছে। আমাদেরও সচেতন হতে হবে। ফলমূল শাকসবজি বেশি খেতে হবে। টিনজাত খাবার কম খেতে হবে। মদপান ও ধূমপান থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে। সবাই সচেতন হলে পাকস্থলীর ক্যান্সার অনেক কমানো সম্ভব।

Non-Communicable Diseases / Noncommunicable diseases
« on: August 24, 2019, 05:17:13 PM »
Noncommunicable diseases

Key facts
  • Noncommunicable diseases (NCDs) kill 41 million people each year, equivalent to 71% of all deaths globally.
  • Each year, 15 million people die from a NCD between the ages of 30 and 69 years; over 85% of these "premature" deaths occur in low- and middle-income countries.
  • Cardiovascular diseases account for most NCD deaths, or 17.9 million people annually, followed by cancers (9.0 million), respiratory diseases (3.9million), and diabetes (1.6 million).
  • These 4 groups of diseases account for over 80% of all premature NCD deaths.
  • Tobacco use, physical inactivity, the harmful use of alcohol and unhealthy diets all increase the risk of dying from a NCD.
  • Detection, screening and treatment of NCDs, as well as palliative care, are key components of the response to NCDs.

Noncommunicable diseases (NCDs), also known as chronic diseases, tend to be of long duration and are the result of a combination of genetic, physiological, environmental and behaviours factors.

The main types of NCDs are cardiovascular diseases (like heart attacks and stroke), cancers, chronic respiratory diseases (such as chronic obstructive pulmonary disease and asthma) and diabetes.

NCDs disproportionately affect people in low- and middle-income countries where more than three quarters of global NCD deaths – 32million – occur.

Who is at risk of such diseases?
People of all age groups, regions and countries are affected by NCDs. These conditions are often associated with older age groups, but evidence shows that 15 million of all deaths attributed to NCDs occur between the ages of 30 and 69 years. Of these "premature" deaths, over 85% are estimated to occur in low- and middle-income countries. Children, adults and the elderly are all vulnerable to the risk factors contributing to NCDs, whether from unhealthy diets, physical inactivity, exposure to tobacco smoke or the harmful use of alcohol.

These diseases are driven by forces that include rapid unplanned urbanization, globalization of unhealthy lifestyles and population ageing. Unhealthy diets and a lack of physical activity may show up in people as raised blood pressure, increased blood glucose, elevated blood lipids and obesity. These are called metabolic risk factors that can lead to cardiovascular disease, the leading NCD in terms of premature deaths.

Risk factors
Modifiable behavioural risk factors
Modifiable behaviours, such as tobacco use, physical inactivity, unhealthy diet and the harmful use of alcohol, all increase the risk of NCDs.
  • Tobacco accounts for over 7.2 million deaths every year (including from the effects of exposure to second-hand smoke), and is projected to increase markedly over the coming years. (1)
  • 4.1 million annual deaths have been attributed to excess salt/sodium intake. (1)
  • More than half of the 3.3 million annual deaths attributable to alcohol use are from NCDs, including cancer. (2)
  • 1.6 million deaths annually can be attributed to insufficient physical activity. (1)
Metabolic risk factors
Metabolic risk factors contribute to four key metabolic changes that increase the risk of NCDs:
  • raised blood pressure
  • overweight/obesity
  • hyperglycemia (high blood glucose levels) and
  • hyperlipidemia (high levels of fat in the blood).
In terms of attributable deaths, the leading metabolic risk factor globally is elevated blood pressure (to which 19% of global deaths are attributed), (1) followed by overweight and obesity and raised blood glucose.

What are the socioeconomic impacts of NCDs?
NCDs threaten progress towards the 2030 Agenda for Sustainable Development, which includes a target of reducing premature deaths from NCDs by one-third by 2030.

Poverty is closely linked with NCDs. The rapid rise in NCDs is predicted to impede poverty reduction initiatives in low-income countries, particularly by increasing household costs associated with health care. Vulnerable and socially disadvantaged people get sicker and die sooner than people of higher social positions, especially because they are at greater risk of being exposed to harmful products, such as tobacco, or unhealthy dietary practices, and have limited access to health services.

In low-resource settings, health-care costs for NCDs quickly drain household resources. The exorbitant costs of NCDs, including often lengthy and expensive treatment and loss of breadwinners, force millions of people into poverty annually and stifle development.

Prevention and control of NCDs
An important way to control NCDs is to focus on reducing the risk factors associated with these diseases. Low-cost solutions exist for governments and other stakeholders to reduce the common modifiable risk factors. Monitoring progress and trends of NCDs and their risk is important for guiding policy and priorities.

To lessen the impact of NCDs on individuals and society, a comprehensive approach is needed requiring all sectors, including health, finance, transport, education, agriculture, planning and others, to collaborate to reduce the risks associated with NCDs, and promote interventions to prevent and control them.

Investing in better management of NCDs is critical. Management of NCDs includes detecting, screening and treating these diseases, and providing access to palliative care for people in need. High impact essential NCD interventions can be delivered through a primary health care approach to strengthen early detection and timely treatment. Evidence shows such interventions are excellent economic investments because, if provided early to patients, they can reduce the need for more expensive treatment.

Countries with inadequate health insurance coverage are unlikely to provide universal access to essential NCD interventions. NCD management interventions are essential for achieving the global target of a 25% relative reduction in the risk of premature mortality from NCDs by 2025, and the SDG target of a one-third reduction in premature deaths from NCDs by 2030.

WHO response
WHO's leadership and coordination role
The 2030 Agenda for Sustainable Development recognizes NCDs as a major challenge for sustainable development. As part of the Agenda, Heads of State and Government committed to develop ambitious national responses, by 2030, to reduce by one-third premature mortality from NCDs through prevention and treatment (SDG target 3.4). This target comes from the High-level Meetings of the UN General Assembly on NCDs in 2011 and 2014, which reaffirmed WHO’s leadership and coordination role in promoting and monitoring global action against NCDs. The UN General Assembly will convene a third High-level Meeting on NCDs in 2018 to review progress and forge consensus on the road ahead covering the period 2018-2030.

To support countries in their national efforts, WHO developed a Global action plan for the prevention and control of NCDs 2013-2020, which includes nine global targets that have the greatest impact on global NCD mortality. These targets address prevention and management of NCDs.


Healthy Bones / Tips to keep your bones healthy
« on: August 24, 2019, 04:58:02 PM »
Tips to keep your bones healthy

Protecting your bone health is easier than you think. Understand how diet, physical activity and other lifestyle factors can affect your bone mass.

Bones play many roles in the body — providing structure, protecting organs, anchoring muscles and storing calcium. While it's important to build strong and healthy bones during childhood and adolescence, you can take steps during adulthood to protect bone health, too.

Why is bone health important?
Your bones are continuously changing — new bone is made and old bone is broken down. When you're young, your body makes new bone faster than it breaks down old bone, and your bone mass increases. Most people reach their peak bone mass around age 30. After that, bone remodeling continues, but you lose slightly more bone mass than you gain.

How likely you are to develop osteoporosis — a condition that causes bones to become weak and brittle — depends on how much bone mass you attain by the time you reach age 30 and how rapidly you lose it after that. The higher your peak bone mass, the more bone you have "in the bank" and the less likely you are to develop osteoporosis as you age.

What affects bone health?
A number of factors can affect bone health. For example:
  • The amount of calcium in your diet. A diet low in calcium contributes to diminished bone density, early bone loss and an increased risk of fractures.
  • Physical activity. People who are physically inactive have a higher risk of osteoporosis than do their more-active counterparts.
  • Tobacco and alcohol use. Research suggests that tobacco use contributes to weak bones. Similarly, regularly having more than one alcoholic drink a day for women or two alcoholic drinks a day for men may increase the risk of osteoporosis.
  • Gender. You're at greater risk of osteoporosis if you're a woman, because women have less bone tissue than do men.
  • Size. You're at risk if you are extremely thin (with a body mass index of 19 or less) or have a small body frame because you might have less bone mass to draw from as you age.
  • Age. Your bones become thinner and weaker as you age.
  • Race and family history. You're at greatest risk of osteoporosis if you're white or of Asian descent. In addition, having a parent or sibling who has osteoporosis puts you at greater risk — especially if you also have a family history of fractures.
  • Hormone levels. Too much thyroid hormone can cause bone loss. In women, bone loss increases dramatically at menopause due to dropping estrogen levels. Prolonged absence of menstruation (amenorrhea) before menopause also increases the risk of osteoporosis. In men, low testosterone levels can cause a loss of bone mass.
  • Eating disorders and other conditions. People who have anorexia or bulimia are at risk of bone loss. In addition, stomach surgery (gastrectomy), weight-loss surgery, and conditions such as Crohn's disease, celiac disease and Cushing's disease can affect your body's ability to absorb calcium.
  • Certain medications. Long-term use of corticosteroid medications, such as prednisone, cortisone, prednisolone and dexamethasone, is damaging to bone. Other drugs that might increase the risk of osteoporosis include aromatase inhibitors to treat breast cancer, selective serotonin reuptake inhibitors, methotrexate, some anti-seizure medications, such as phenytoin (Dilantin) and phenobarbital, and proton pump inhibitors.
What can I do to keep my bones healthy?
You can take a few simple steps to prevent or slow bone loss. For example:
  • Include plenty of calcium in your diet. For adults ages 19 to 50 and men ages 51 to 70, the Recommended Dietary Allowance (RDA) is 1,000 milligrams (mg) of calcium a day. The recommendation increases to 1,200 mg a day for women after age 50 and for men after age 70. Good sources of calcium include dairy products, almonds, broccoli, kale, canned salmon with bones, sardines and soy products, such as tofu. If you find it difficult to get enough calcium from your diet, ask your doctor about supplements.
  • Pay attention to vitamin D. Your body needs vitamin D to absorb calcium. For adults ages 19 to 70, the RDA of vitamin D is 600 international units (IUs) a day. The recommendation increases to 800 IUs a day for adults age 71 and older. Good sources of vitamin D include oily fish, such as salmon, trout, whitefish and tuna. Additionally, mushrooms, eggs and fortified foods, such as milk and cereals, are good sources of vitamin D. Sunlight also contributes to the body's production of vitamin D. If you're worried about getting enough vitamin D, ask your doctor about supplements.
  • Include physical activity in your daily routine. Weight-bearing exercises, such as walking, jogging, and climbing stairs, can help you build strong bones and slow bone loss.
  • Avoid substance abuse. Don't smoke. If you are a woman, avoid drinking more than one alcoholic drink each day. If you are a man, avoid drinking more than two alcoholic drinks a day.
Enlist your doctor's help
If you're concerned about your bone health or your risk factors for osteoporosis, including a recent bone fracture, consult your doctor. He or she might recommend a bone density test. The results will help your doctor gauge your bone density and determine your rate of bone loss. By evaluating this information and your risk factors, your doctor can assess whether you might be a candidate for medication to help slow bone loss.


ব্রেন স্ট্রোক আসলে কী? কাদের বেশি হয়?

সাধারণ পর্যায়ে অনেকে ব্রেন স্ট্রোক আর হার্ট অ্যাটাককে একই বিষয় মনে করে গুলিয়ে ফেলেন। বাস্তবে কিন্তু তা নয়। আসুন প্রথমে জেনে নিই ব্রেন স্ট্রোকের লক্ষণগুলো কি কি- 

• হাত-পায়ে অবশ ভাব
• জুতোর ফিতে বাঁধতে সমস্যা
• মুখের অসাড়তা, কথা জড়িয়ে যাওয়া
• বেসামাল হাঁটা-চলা
• ঘাড়ে-মাথায় যন্ত্রণা, বমি, সংজ্ঞা হারানো

স্ট্রোক বিষয়ে শারীরবিদদের ব্যাখ্যা : হৃদযন্ত্রের ধমনীতে রক্ত সরবরাহ ব্যাহত হলে হার্ট অ্যাটাক হয়। আর মস্তিষ্কে রক্তের জোগান কমলে হয় ব্রেন স্ট্রোক। কোনো ধমনী আচমকা ছিঁড়ে গেলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই 'সেরিব্রাল হেমারেজ'ই ব্রেন স্ট্রোকের অন্যতম কারণ।

কখনো দেখা যায় কোনো কারণে ধমনী সরু হয়ে মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্ত জমাট বেঁধে যায়। এর ফলেও ব্রেন স্ট্রোক হতে পারে, ডাক্তারি পরিভাষায় এর নাম 'সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস'।

সেরিব্রাল হেমারেজ বা থ্রম্বোসিস- কোনোটাই কিন্তু একেবারে জানান না-দিয়ে আচম্বিতে আসে না। বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, দুটি ক্ষেত্রেই বেশ ক'দিন আগে থেকে ধমনীতে রক্ত চলাচলে সমস্যা হয়। আর নিয়মিত রক্তচাপ মাপলেই ধরা পড়ে, শরীরের ভেতরে কোথাও না-কোথাও একটা সমস্যা হচ্ছে। তবে বিপদের সেই 'ইঙ্গিত'কে গুরুত্ব না-দেওয়ার প্রবণতাটাই চিকিৎসকদের বেশি ভাবাচ্ছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে রোগী, রোগীদের পরিজন ও অচিকিৎসক কর্মীদের ওপরে একটি 'স্ট্রোক সচেতনতা' সমীক্ষা চালিয়েছিলেন স্নায়ুরোগের চিকিৎসকেরা। দেখা গিয়েছে, ৬০%-৬৮% মানুষের ধারণা, স্ট্রোক হয় শুধু বুকে (অর্থাৎ হৃদযন্ত্রে) হয়। বুক ব্যথা করে। ওঁরা জানেনই না যে, এর সঙ্গে মস্তিষ্কেরও যোগাযোগ থাকতে পারে।
এ ছাড়া নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং বাঙুর ইনস্টিটিউট অফ নিউরোলজির নিউরোমেডিসিনের চিকিৎসকেরা পাঁচ বছর ধরে বারুইপুরের রামনগরে ২০ হাজার মানুষের ওপর সাধারণ স্নায়ুরোগ সম্পর্কে সমীক্ষা চালিয়েছিলেন। সমীক্ষকদের অন্যতম চিকিৎসক শঙ্করপ্রসাদ সাহার আক্ষেপ, 'স্ট্রোক জিনিসটা কী, সেটা কোথায়, কেন হয়, সে সম্পর্কে ওয়াকিবহাল মাত্র ২০%! স্ট্রোকের হার কমানোর পথে এটাই তো সবচেয়ে বড় বাধা।'

অপরদিকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ৯ হাজার স্ট্রোক-আক্রান্তকে নিয়ে সমীক্ষা চালিয়েছে 'স্ট্রোক ফাউন্ডেশন অব বেঙ্গল'। তাদের রিপোর্ট ইন্দোরে 'ইন্ডিয়ান স্ট্রোক অ্যাসোসিয়েশন কংগ্রেস'-এর বার্ষিক অধিবেশনে পেশ হয়েছে। সমীক্ষকদের অন্যতম চিকিৎসক দীপেশ মণ্ডল জানান, পশ্চিমবঙ্গে যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ আছে, তাঁদের ৫০% সে সম্পর্কে জ্ঞাত নন। যাঁরা জানেন, তাঁদের অর্ধেক আবার চিকিৎসাই করান না, কিংবা নিয়মিত ওষুধ খান না। ফলে স্ট্রোক নিঃশব্দে থাবা বসায়।

স্ট্রোক সম্পর্কে মানুষের এ হেন 'অজ্ঞানতা'ই মৃত্যু ও পঙ্গুত্ব বাড়াচ্ছে বলে মনে করেন চিকিৎসক নিখিল বিশ্বাস। তিনি বলেন, 'আমাদের এখানে আচমকা কারো ঘাড়ে-হাতে যন্ত্রণা শুরু হলে লোকে ভেবে ফেলবে, শোওয়ার দোষ! মাথা ব্যথা করলে মনে করবে এসিড। হাত-পা ঝিনঝিন করে অবশ হতে লাগলে ভাববে বাত। কিছুতেই ভাবতে পারবে না যে, এগুলো স্ট্রোকেরও লক্ষণ হতে পারে!'

স্নায়ুরোগ-চিকিৎসক পরিমল ত্রিপাঠীর বক্তব্য, 'উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস থাকলে নিয়মিত হেল্থ চেক-আপ জরুরি। কিন্তু এখানকার অধিকাংশ মানুষ উদাসীন। মধ্যবিত্তদের কাছে হেল্থ চেক-আপ মানে বিলাসিতা। অথচ এটা করলে ফি বছর প্রায় ১০ লাখ লোক স্ট্রোক এড়াতে পারেন।'


মাইল্ড স্ট্রোক সম্পর্কে যা জানা জরুরি

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, একে বলা হয় ট্রানজিয়েন্ট স্কিমিক অ্যাটাক বা টিআইএ। কিন্তু এই টিআইএ বা মাইল্ড স্ট্রোক আসলে কী?
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক অসিত বরন অধিকারী বলছিলেন, স্ট্রোক বলতে সাধারণত মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটাকে বুঝানো হয়।
এটা দুই ধরনের হয়, একটা রক্তক্ষরণ জনিত বা হেমোরেজিক স্ট্রোক এবং আরেকটি হলো স্কিমিক স্ট্রোক, এতে রক্তক্ষরণ হয় না।

মাইল্ড স্ট্রোকের লক্ষণগুলো কী?
অধ্যাপক অধিকারী জানিয়েছেন, ট্রানজিয়েন্ট স্কিমিক অ্যাটাক বা মাইল্ড স্ট্রোকের প্রধান লক্ষণ হলো, অল্প সময়ের জন্য কেউ জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে পারে। সেটি ১৫ সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট স্থায়ী হতে পারে।
এক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় রোগীর হাটতে হাটতে মাথা ঘুরতে পারে। বসা থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘুরতে পারে।
আর পরের দিকে, যখন সেরিব্রাল ইনফ্লাক্স হয়ে যায়, তখন রোগী অচেতন হয়ে পড়তে পারে। অবস্থা আরো খারাপ হলে সেই সঙ্গে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়া এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে।
অন্যদিকে, হেমোরেজিক স্ট্রোকের লক্ষণ নির্ভর করে মস্তিষ্কে কতটা রক্তক্ষরণ হয়েছে তার ওপর।
যদি অল্প রক্তক্ষরণ হয়, তাহলে মাথাব্যথা, ভার্টিগো বা মাথা ঘোরা থাকবে। রক্তক্ষরণের পরিমাণ একটু বেশি হলে শরীরের কোন একটি অংশ অবশ হয়ে যেতে পারে।

কিভাবে বোঝা যাবে মাইল্ড স্ট্রোক হয়েছে?
অধ্যাপক অধিকারী বলছেন, প্রাথমিকভাবে যদি দেখা যায় কোন আপাত সুস্থ মানুষ হঠাৎ হাঁটাচলায় ভারসাম্যহীনতা দেখা যায়, অথবা মাথা ঘুরে পড়ে যাচ্ছে, অথবা যদি দেখা যায় সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরের কোন অংশ হঠাৎ অবশ হয়ে গেছে,তাহলে বুঝতে হবে তার মাইল্ড স্ট্রোক হয়েছে।
এছাড়া হয়ত দেখা যাবে কেউ হঠাৎ হাত বা পা নাড়াতে পারছে না, কিংবা মুখটা এক পাশে বাঁকা হয়ে গেছে।

করণীয় কী?
লক্ষণগুলো দেখা মাত্র দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। এরপর সিটি স্ক্যান বা এমআরআই করে দেখতে হবে এটা কি স্কিমিক স্ট্রোক না হেমোরেজিক স্ট্রোক।
অধ্যাপক অধিকারী জানিয়েছেন, এক্ষেত্রে ডায়াগনোসিস বা রোগ নির্ণয় খুব জরুরী। যত আগে চিকিৎসা শুরু হবে, রোগীর সুস্থ হবার সুযোগ তত বেশি থাকবে।

কিভাবে স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়ানো যাবে?
এতো গেল, আক্রান্ত হবার পরের কথা। কিভাবে স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়ানো যাবে?
যেকোনো ব্যক্তি যদি চর্বি জাতীয় খাবার ও ধূমপান এড়িয়ে চলে, হাইপার টেনশন থাকলে সেটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন, তবে অনেকটাই এড়ানো যাবে মাইল্ড স্ট্রোকের ঝুঁকি।
এছাড়া উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস থাকলে তা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখার চেষ্টা করতে হবে। শারীরিক কসরত করতে হবে।


Pages: [1] 2 3